সব
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭

মামুনুল হক: ধর্মব্যবসায়ীর কুৎসিত চেহারা

আপডেট : ০৮ এপ্রিল ২০২১, ১৪:৫৯
প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সঠিকভাবেই এদের ধর্মব্যবসায়ী বলেছেন। এদের মুখে ধর্মের বা আদর্শের বা সম্প্রীতির সৎ উপার্জন বা সৎপথে চলার কথা নেই। আছে ঘৃণার কথা, সাম্প্রদায়িকতার উসকানি, নারী ক্ষমতায়নের বিরুদ্ধে কথা। মাদ্রাসার শিক্ষকরা যে দিনের পর দিন বলাৎকার করে ধরা পড়ছে, তার বিরুদ্ধেও কোনো কথা বলছে না ধর্মব্যবসায়ীরা

পৃথিবীর সব ধর্মই বলে, মিথ্যা বলা মহাপাপ। সেমিটিক ধর্মসমূহ যথা- ইসলাম, খ্রিষ্টান এবং ইহুদি ধর্মে যেমন সত্যবাদী হওয়ার নির্দেশনা রয়েছে, একই ধরনের নির্দেশনা পুরোনো ধর্মগুলো যথা- হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, জরাস্ট্রিয়ান এবং কনফুসিয়াস প্রবর্তিত ধর্মেও রয়েছে। এমতাবস্থায় যদি এমন কোনো ব্যক্তি যে নিজেকে ধর্মযাজক বা আলেম বলে দাবি করে এবং মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তাহলে তাকে কেমনভাবে নেয়া হবে, তার জবাব দেবে জনগণ। আর মিথ্যা কথা যদি অপরাধ পর্যায়ে গড়ায়, তাহলে তার বিচার হতে হবে আদালতে।

গত ৩ এপ্রিল এক নারীসহ মামুনুল হক নামের এক রাজাকারপুত্র ও ধর্মব্যবসায়ী ধরা পড়ার পর হেফাজতিরা যে তাণ্ডব ঘটাল, আইন ভঙ্গ করল, তা প্রকাশ্যে আনা হবে বলে কথা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি আরো বলেছেন, সরকার এদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে যাবে। তিনি সমগ্র জাতির সাধুবাদের দাবিদার। জাতি সেসব তথ্য জানতে চায়। কিন্তু সে মিথ্যাচারগুলো তো প্রমাণিত। সে শুধু মিথ্যাচারই করেনি, মিথ্যাচার করেছে সে আল্লাহর কসম খেয়ে। মামুনুল হকের নিজের ভাষ্য এবং সংশ্লিষ্ট রিসোর্টে রুম বুক করার প্রদান করা তথ্য সপ্রমাণিত। তাই এর ওপর কথা বলার জন্য মন্ত্রীর তথ্য প্রদানের সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না।

মামুনুল হককে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসাবাদ করাকালে সেটি কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচার করা হয়। তখন দেশের কোটি কোটি মানুষের মতো আমারও সুযোগ হয়েছিল সপ্রমাণিত মিথ্যাচারে ভরপুর সেই ধর্মব্যবসায়ীর কথা শোনার। মামুনুল হককে যখন তার সঙ্গী মহিলার নাম জিজ্ঞাসা করা হলো, তার জবাব দিতে তার অন্তত এক মিনিট সময় লেগেছিল। শুধু তা-ই নয়, সে জবাব দেয়ার আগে আমতা আমতা করছিল। এই দুটি উপসর্গই মিথ্যাচারের প্রধান লক্ষণ। বস্তুত, সে এক মিনিট পর আমতা আমতা করে যা বলেছে, সেটি প্রমাণিত মিথ্যাচার। সে বলেছে, মহিলা তার দ্বিতীয় স্ত্রী; তারপর নাম জিজ্ঞাসা করার পর সময়ক্ষেপণ করে বলেছে, তার নাম ‘আমেনা তৈয়বা’।

কাহিনি সেখানেই শেষ নয়, রুম বুকিংয়ের জন্য মহিলা সম্পর্কে যে তথ্য সে দিয়েছে, তাতেও সে আমেনা তৈয়বাই লিখেছে। পরে সে মহিলা নিজেই বলেছে তার নাম ঝর্ণা। সে মহিলার নাম যে আমেনা তৈয়বা নয়, তার নাম যে জান্নাত আরা ঝর্ণা, সে কথা বহুবিধভাবে প্রকাশিত হলেও মিথ্যাচারী মামুনুল হক সে বিষয়ে কোনো বক্তব্য বা ব্যাখ্যা দেয়নি। সে শুধু বলেছে, সে মহিলা তার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং সে শহীদুল নামক মামুনুল হকের এক ঘনিষ্ঠজনের সাবেক স্ত্রী। শহীদুল নামের সেই ব্যক্তির স্ত্রীর নাম যে আমেনা তৈয়বা নয়, বরং ঝর্ণা, তাও প্রমাণিত। আরো যেটি প্রমাণিত তা হলো, আমেনা তৈয়বা হচ্ছে মামুনুল হকের প্রথম স্ত্রীর নাম, সে বিষয়ে কারো দ্বিমত নেই; মামুনুল হকও অন্য কথা বলছে না।

এখন আসা যাক, মহিলা মামুনুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে যে দাবি করেছে, সে বিষয়ে ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী বিয়ে হচ্ছে একটি চুক্তি। এটি ধর্মীয় কোনো অনুষ্ঠান নয়। অন্য দশটি চুক্তির মতো এখানেও প্রয়োজন এক পক্ষের প্রস্তাব এবং অন্য পক্ষের প্রস্তাব গ্রহণ, যেটি কনে ‘কবুল’ শব্দটি উচ্চারণ করে প্রস্তাব গ্রহণ করে থাকে। বিয়েতে অন্য চুক্তির মতোই সাক্ষীর প্রয়োজন হয়। আমাদের দেশে মুসলমানদের বিয়ের ব্যাপারে পার্লামেন্ট প্রণীত যে কটি আইন রয়েছে, তার মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইন হলো- (১) ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক অধ্যাদেশ এবং (২) ১৯৭৪ সালের মুসলিম বিবাহ এবং তালাক নিবন্ধন আইন।

১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশে বলা আছে, এই আইনের বিধানসমূহ অন্য কোনো আইন, রীতিনীতি, চর্চা সত্ত্বেও প্রযোজ্য হবে। উক্ত অধ্যাদেশের ৬ ধারায় বলা আছে, ‘কোনো ব্যক্তি তার পূর্ববর্তী বিবাহের স্থায়িত্বকালে আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ছাড়া আরো একটি বিবাহ করতে পারবে না এবং এ ধরনের অনুমতিবিহীন বিবাহ নিবন্ধন করা যাবে না।’

৬(২) ধারায় বলা আছে, আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির দরখাস্তে অধিক বিবাহের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং পূর্ববর্তী স্ত্রীর সম্মতি গ্রহণ করা হয়েছে কি না, তাও উল্লেখ করতে হবে। ৬(৩) ধারায় বলা আছে, একাধিক বিবাহের অনুমতি চাওয়া দরখাস্ত প্রাপ্তির পর চেয়ারম্যান দরখাস্তকারী এবং তার বর্তমান স্ত্রী/স্ত্রীদের আর্বিট্রেশন কাউন্সিলে নিজ নিজ প্রতিনিধি পাঠাতে বলবে এবং এরপর যদি আর্বিট্রেশন কাউন্সিল নিশ্চিত হয় যে, অধিক বিবাহ করার যৌক্তিক এবং ন্যায়সংগত কারণ রয়েছে, শুধু তবেই অধিক বিবাহের অনুমতি দেবে- এমন শর্তসাপেক্ষে যা আর্বিটেশন কাউন্সিল উপযুক্ত বলে বিবেচনা করে। ৬(৪) ধারায় বলা আছে, আর্বিট্রেশন কাউন্সিল তাদের সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে রাখবে। ৬(৫) ধারায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি এই বিধানের ব্যত্যয় ঘটিয়ে পূর্ববর্তী স্ত্রীর বর্তমানে বিয়ে করলে তার এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে, যার সঙ্গে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

১৯৭৪ সালের মুসলিম বিবাহ এবং তালাক নিবন্ধন আইনে বলা আছে, অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক না কেন, মুসলিম আইনে কোনো বিয়ে সম্পন্ন করা হলে তাকে অবশ্যই নিবন্ধন করতে হবে, যা করবে উপযুক্ত নিকাহ নিবন্ধক। এই আইনের ৫(২) ধারামতে, যদি কোনো ব্যক্তি তার বিয়ে নিবন্ধন না করে, তাহলে তার তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সঙ্গে জরিমানা হতে পারে।

জান্নাত আরা ঝর্ণাকে তার স্বামী শহিদুল ইসলাম পারিবারিক অধ্যাদেশের বিধান অনুসরণ করে তালাক দিয়েছে কিনা সেটিও পরিস্কার নয়। উক্ত অধ্যাদেশের বিধান অনুসরণ না করে কোন তালাক কার্যকর হয় না। যদি সেই অধ্যাদেশের বিধান অনুসরণ না করা হয়ে থাকে এবং যদি মামুনুল হক বৈধ ভাবে তালাক প্রাপ্ত নন এমন মহিলাকে বিয়ে করে থাকেন তাহলে উভয়-এরই সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থ দণ্ড হতে পারে।

এই দুই আইন বিশ্লেষণ করলে যা দাঁড়ায়, তা হলো মামুনুল হক যদি সত্যি সত্যিই ঝর্ণা নামের মহিলাকে বিয়ে করে থাকে, তাহলে সে কমপক্ষে দুটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে, যার জন্য তার দেড় বছর সাজা এবং সঙ্গে জরিমানা হতে পারে। তদুপরি যেহেতু সে যদি সত্যিই দ্বিতীয় বিয়ে করে থাকে, যে দাবি সে করেছে, তাহলে তার তথাকথিত দ্বিতীয় বিয়ে কখনো নিবন্ধনযোগ্য হবে না। কেননা, সে দ্বিতীয় বিয়ের জন্য আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমোদন গ্রহণ করেনি, যা তার নিজের ভাষ্যসমূহ থেকেই প্রমাণিত। তবে ঝর্ণা নামের মহিলা সত্যিই তার স্ত্রী কি না, সে প্রশ্ন এখনো অনির্ধারিত। বৈধ বিয়ে করতে হলে যেসব বিধিবিধান রয়েছে, তা পূরণ অপরিহার্য। সেখানে প্রস্তাব ছিল কি-না, কবুল ছিল কি-না এবং সর্বোপরি কোনো সাক্ষী ছিল কি-না, সেসব প্রশ্নের জবাব মামুনুল হক দেয়নি। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, মামুনুল হক যাকে নিয়ে রিসোর্টে গিয়েছিল, সে মহিলা তার স্ত্রী নয়। মন্ত্রী নিশ্চয়ই অনুমাননির্ভর কথা বলেননি। পুলিশ এদের দুজনকেই জিজ্ঞাসাবাদ করছে বিধায় পুলিশের এবং গোয়েন্দাদের কাছে থাকা তথ্যের ভিত্তিতেই মন্ত্রী পার্লামেন্ট দাঁড়িয়ে কথা বলেছেন, এটা ধরেই নেয়া স্বাভাবিক।

এটা ঠিক যে, দুজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের বিবাহবহির্ভূত যৌন সম্পর্ক কোনো আইন দ্বারা নিষিদ্ধ নয়। কিন্তু ইসলামিক অনুশাসনে এটি জেনা নামক মহাপাপের আওতাভুক্ত। তার চেয়ে বড় কথা, যেখানে ইসলাম ধর্মগুরুরা বলে থাকেন, সেসব স্থানে চিত্তবিনোদনের জন্য যাওয়া নিষিদ্ধ, যেখানে সুরা পান হয়, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক হয়। সেখানে একজন আলেম বলে দাবিদার মামুনুল হক কীভাবে রিলাক্স (তার ভাষ্যমতে) করার জন্য গেল, সেটি এক বড় প্রশ্ন, যার জবাব ধর্মভীরু মুসলমানরা প্রত্যক্ষ করছেন। ঝর্ণা যদি সত্যিই তার বিবাহিত স্ত্রী হয়ে থাকে, তাহলে তার সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য মামুনুল হককে কেন একটি ব্যয়বহুল এবং বিলাসপূর্ণ রিসোর্টে যেতে হবে? এসব জায়গা যে নেহাতই সম্পদশালী লোকদের ভোগবিলাসের জন্য, সে বিষয়ে দ্বিমত পোষণের সুযোগ নিশ্চয়ই নেই।

মামুনুল হক নিজেকে আলেম বলে দাবি না করলে এসব প্রশ্ন উঠত না। কেননা, এগুলো মানুষের আইনি অধিকারভুক্ত। কিন্তু তার দাবি যে ভিন্ন ধরনের। এ বিষয়ে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর উক্তিটিও গভীরভাবে প্রণিধানযোগ্য। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে যা বলেছেন, তাও ফেলে দেয়া যায় না। কেননা, তিনি নিশ্চয়ই তথ্য-উপাত্তের বাইরে কথা বলেন না। তিনি সে কথাই বলেন, যা দেশের আইনশৃঙ্খলা এবং গোয়েন্দা সংস্থা প্রদান করে থাকে। আরো একটি প্রশ্ন এই যে, সংশ্লিষ্ট রিসোর্টটি বিলাসবহুল। তাছাড়া সে প্রতিনিয়ত অন্য ধর্মব্যবসায়ীদের মতো হেলিকপ্টারে ভ্রমণ করা মানুষ। এ ক্ষেত্রে এনবিআর/দুদক মামুনুল হকসহ ৪৫ জন ধর্মব্যবসায়ীর গচ্ছিত অর্থের হিসাব চেয়ে যে প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে তখনই পূর্ণতা পাবে, যখন কর্তৃপক্ষ তা প্রকাশ করবে এবং যারা অসৎ উপায়ে বা অপ্রকাশ্য কায়দায় বেআইনিভাবে অর্থ উপার্জন বা আনয়ন করেছে বা আয়কর দেয়নি।

প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সঠিকভাবেই এদের ধর্মব্যবসায়ী বলেছেন। এদের মুখে ধর্মের বা আদর্শের বা সম্প্রীতির সৎ উপার্জন বা সৎপথে চলার কথা নেই। আছে ঘৃণার কথা, সাম্প্রদায়িকতার উসকানি, নারী ক্ষমতায়নের বিরুদ্ধে কথা। মাদ্রাসার শিক্ষকরা যে দিনের পর দিন বলাৎকার করে ধরা পড়ছে, তার বিরুদ্ধেও কোনো কথা বলছে না ধর্মব্যবসায়ীরা। এখন মনে হচ্ছে, ধর্মব্যবসা হচ্ছে সহজ পন্থায় টাকা উপার্জনের শ্রেষ্ঠ পন্থা। ওয়াজে গেলেই লাখ টাকা, আয়কর না দিয়ে, যে কাজটিও ধর্মনিষিদ্ধ। এত সহজ আয় বলেই এরা হেলিকপ্টারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা কতটুকু ধর্ম অনুমোদিত, তার জবাব দেয়া ধর্মশাস্ত্রে জ্ঞানীজনদের সময় এসেছে।

লেখক: আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি

সারাক্ষণ মতামতের বৈচিত্র্যে বিশ্বাস করে। এই লেখার বিষয়ে কারো যদি কোন ভিন্নমত থাকে তাহলে অনূর্ধ্ব ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠান আমাদের কাছে। সারাক্ষণ আপনার ভিন্নমত সাদরে গ্রহণ করবে। আপনার ভিন্নমত প্রকাশ হবে পাঠকের অভিমত কলামে। সঙ্গে আপনার নাম, সংক্ষিপ্ত পরিচয়, ছবি ও ফোন নম্বর পাঠাবেন, যা আপনার লেখার সঙ্গে প্রকাশ হবে। ভিন্নমত পাঠানোর ই-মেইল : ‍[email protected]
মতামত বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা : ‍[email protected]

জনপ্রিয়

ভ্যাকসিন পাসপোর্ট

ভ্যাকসিন পাসপোর্ট

১২, ১৩ এপ্রিলও লকডাউন

১২, ১৩ এপ্রিলও লকডাউন

চলে গেলেন মিতা হক

চলে গেলেন মিতা হক

বাতিলই হলো পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফর

বাতিলই হলো পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফর

মিয়ানমারে সেনাবিরোধী বিক্ষোভে এক শহরেই নিহত ৮০

মিয়ানমারে সেনাবিরোধী বিক্ষোভে এক শহরেই নিহত ৮০

অপু উকিল করোনায় আক্রান্ত

অপু উকিল করোনায় আক্রান্ত

উত্তরায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোচালকের মৃত্যু

উত্তরায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোচালকের মৃত্যু

হবিগঞ্জে গণপিটুনিতে দুই ডাকাত নিহত

হবিগঞ্জে গণপিটুনিতে দুই ডাকাত নিহত

মিতা হক রবীন্দ্রসংগীত প্রেমীদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন

মিতা হক রবীন্দ্রসংগীত প্রেমীদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন

জেএমবির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার

জেএমবির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার

নাম হবে মাওলানা মামুনুল হক রিসোর্ট !
মুহম্মদ শফিকুর রহমান

নাম হবে মাওলানা মামুনুল হক রিসোর্ট !

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ
ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ

টাইম ম্যানেজমেন্ট, নাকি টাইম প্রায়োরাটাইজেশন?
জিয়া হাসান

টাইম ম্যানেজমেন্ট, নাকি টাইম প্রায়োরাটাইজেশন?

লেবাসধারীদের জন্য কি সবকিছুই জায়েজ?
প্রভাষ আমিন

লেবাসধারীদের জন্য কি সবকিছুই জায়েজ?