সব
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮

হেফাজতের তাণ্ডব প্রতিহত করতে হবে

আপডেট : ০৭ এপ্রিল ২০২১, ০০:৩২
বাংলাদেশের বৃহত্তর মানুষ এখনো মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের প্রতি পাহাড়ের মতো অটল আছে। তাই নতুন করে মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে একাত্তরের তরুণ প্রজন্মের মতো সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। ঝড়-তুফানের সময় ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঘর রক্ষা করা অপরিহার্য

বিগত ২৭-২৮ মার্চ হেফাজতের তাণ্ডব সব সীমা লঙ্ঘন করেছে। আর ছাড় দেয়া যায় না। সব জায়গায় প্রতিহত করা প্রয়োজন। ২৭ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তারা জাতীয় পতাকা পুড়িয়েছে, জাতির পিতার ম্যুরাল ভেঙেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক যুদ্ধটা এখন আবার একাত্তরের মতো জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে। পার্থক্য শুধু এই, পাকিস্তানিরা সশরীরে এখন নেই। কিন্তু ছায়ায়-কায়ায় আছে। একাত্তরের ডিসেম্বর মাসে পালানোর সময় পাকিস্তানি সেনারা এদেশীয় দালাল, রাজাকার, মুসলিম লীগ, জামায়াত ইত্যাদি সব সহযোগীকে গাড়ি থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে চলে যায়। পাকিস্তানি সেনাদের মুখে সেদিন বলতে শোনা যায়, এরা গাদ্দার। নিজ জন্মভূমির সঙ্গে যারা গাদ্দারি করে, তারা পাকিস্তানে গেলে সেখানেও গাদ্দারি করবে। কিন্তু বাস্তবতা এই, সেই গাদ্দার ও তাদের নতুন বংশধরদের ওপর ভর করে পাকিস্তান পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ভূমিকা পালন করছে গত ৫০ বছর ধরে। এ কাজে পাকিস্তান কী পরিমাণ টাকা ঢালছে, তার প্রমাণ পাওয়া যায় সাবেক এক হেফাজতি নেতার কথায়। ৩১ মার্চ টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, বিশাল পরিমাণ টাকা জামায়াত-হেফাজত বিদেশ থেকে পাচ্ছে। সুতরাং জামায়াত-হেফাজত যখন বাংলাদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা পোড়ায়, বঙ্গবন্ধুর ছবি-নামফলক ভাঙে এবং বিএনপি হেফাজতকে নিঃশর্ত সমর্থন দেয়, তখন নাসার (NASA) রকেট মঙ্গলগ্রহে অবতরণের দৃশ্যে আমেরিকার বিজ্ঞানীরা যেমন উল্লাস প্রকাশ করেন, নিশ্চয়ই পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন সেদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দৃশ্য দেখে সে রকমই উল্লাস প্রকাশ করেছে। তারপর বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, পুলিশ বাহিনী যখন হেফাজতের এমন রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে নীরব-নিস্তব্ধ থাকে, তখন পাকিস্তানিদের উল্লাস আরেকটু বেড়ে যায়, সেটাই স্বাভাবিক। আমরা সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধারা এখনো একটা সংখ্যা বেঁচে আছি। একাত্তরে আমরা তো কিশোর নাবালক ছিলাম, কিছুই বোঝার কথা নয়। স্বাধীনতার ৫০ বছরের মাথায় এসে এমন হবে, বড় বড় নেতা সেটি একাত্তরের বিজয়ের পর কেউ অনুমান বা আশঙ্কা করেছিলেন বলে শুনিনি। সেদিন অনুমান করতে পারলে হয়তো ওরা আজ এটা করার সুযোগই পেত না। তবে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, স্বাধীনতা অর্জন করা যত কঠিন, তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন স্বাধীনতা রক্ষা করা। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর অভূতপূর্ব বিজয় অর্জিত হলো। পাকিস্তান সেনাবাহিনী পরাজিত হয়ে বিদায় নিল। বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ২০ ভাগ মানুষ, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চায়নি, বহুভাবে সবকিছুতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর সহযোগী ছিল, তারা নীরব-নিস্তব্ধ হয়ে অন্তরালে চলে গেল। পৃথিবীর সব দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ-সম্পর্কিত এবং পরবর্তী সময়ের ইতিহাসে দেখা যায়, দখলদার বাহিনীর সহযোগীরা ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করে বিজয়ীদের নীতি-আদর্শ ও মূল্যবোধের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেয়, আর কখনো পেছনে ফিরে তাকায় না। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু অন্তত দশটি বছর যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে বাংলাদেশেও সেটাই হতো। কিন্তু স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় বঙ্গবন্ধু নিহত হওয়ার পর পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর এদেশীয় ওই সহযোগীরা উল্লাসের সঙ্গে নতুনভাবে সংগঠিত হওয়া শুরু করে। তারা সহজাত জিঘাংসায় মেতে ওঠে।

শেখ মুজিবের নাম-গন্ধ নিঃশেষ করাসহ মুক্তিযুদ্ধ কথাটাই আনুষ্ঠানিকভাবে সব জায়গা থেকে বাদ দেয়া হলো। তাদের লক্ষ্য বিশ্বের মানচিত্র থেকে বাংলাদেশকে মুছে ফেলা, আর তত দূর না পারলে অন্তত বাংলাদেশের ভৌগোলিক স্বাধীনতার মধ্যে হুবহু আরেকটি পাকিস্তানের মতো রাষ্ট্র তৈরি করা। সুতরাং এখান থেকেই একাত্তরে শেষ হওয়া যুদ্ধটা আবার শুরু হলো। পক্ষ  দুটি - বাংলাদেশ চাই ভার্সেস পাকিস্তান চাই। এই যুদ্ধে পাকিস্তান চাই পক্ষ আজকে যে পর্যায়ে এসেছে, যে শক্তি অর্জন করেছে, তারা এটা কিছুতেই করতে পারত না, যদি মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান এবং তার সঙ্গে আরো স্বল্প কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ওই রাজাকার, জামায়াত ও মুসলিম লীগারদের সঙ্গে একাত্ম না হতো। ট্রোজান হর্সের পেটের ভেতরে লুকিয়ে থাকা গ্রিক-স্পার্টা সৈন্যদের ভূমিকাটা ওই কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা সফলভাবে পালন করেছে। নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধে বাহ্যিকভাবে এবার উভয় পক্ষের সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। সাধারণ মানুষ ও নতুন প্রজন্মের জন্য শত্রু চেনা কঠিন হয়ে গেল। এই যুদ্ধে পাকিস্তান চাই পক্ষের বড় নেতা জামায়াতপ্রধান গোলাম আযম একাত্তরের পরপরই লন্ডনে বসে পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার আন্দোলন শুরু করেন। দূর লন্ডনে বসে যুদ্ধ চালানো কঠিন বলে তিনি বাংলাদেশে আসতে চাইলেন। তখন জিয়াউর রহমান সর্বময় রাষ্ট্রক্ষমতার অধিকারী। তিনি গোলাম আযমকে বাংলাদেশে আসার অনুমতি দিলেন। পাকিস্তান চাই পক্ষের শক্তি বহুগুণ বেড়ে গেল। তাদের পক্ষে জিয়াউর রহমান অত্যন্ত সাহসী ভূমিকা নিলেন। সামরিক আদেশ দ্বারা বাহাত্তরের সংবিধান থেকে স্বাধীনতার প্রধান মৌলিক স্তম্ভ বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাতিল করে দিলেন।

মুক্তিযুদ্ধ ও সংগ্রাম- এই দুটি শব্দও সংবিধান থেকে কেটে দিলেন। পাকিস্তানিকরণের নিম্ন পর্যায় পর্যন্ত গিয়ে তিনি বাংলাদেশ বেতার- এই নামটি পরিবর্তন করে পাকিস্তানি স্টাইলে রাখলেন রেডিও বাংলাদেশ। বাহাত্তরের সংবিধানের ১২ ও ৩৮ অনুচ্ছেদ বাতিল করে দিলেন। ফলে নিষিদ্ধঘোষিত জামায়াত, মুসলিম লীগসহ সব পাকিস্তানপন্থী রাজনৈতিক দল পুনরায় বাংলাদেশের রাজনীতির মাঠে ঝাঁপিয়ে পড়ার বৈধ আইনি অধিকার পেল। এই অধিকারের সুযোগেই তারা এখন জাতীয় পতাকা পোড়াচ্ছে। ২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশ ও তাণ্ডবের দিনে আরেকবার স্পষ্ট হয় কারা পাকিস্তান চাওয়ার পক্ষে, আর কারা নয়। বিএনপির শীর্ষ নেত্রীসহ পুরো বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জামায়াত, খেলাফত মজলিশ, ইসলামী ঐক্যজোটের সব গ্রুপসহ পাকিস্তানের মতো ধর্মতন্ত্রী রাষ্ট্রে বিশ্বাসী সবাই প্রকাশ্যে হেফাজতকে সমর্থন দেয়। হেফাজতের ১৩ দফার অর্ধেকও যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে পাকিস্তান হতে আর কিছু বাকি থাকে না। এমতাবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে অনৈক্য এবং আদর্শগত চরম পদস্খলনের কারণে একাত্তরে যেখানে পাকিস্তানের পক্ষে ছিল এ দেশের শতকরা মাত্র ২০-২৫ ভাগ মানুষ, সেখানে আজ আরো শতকরা ১০-১৫ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি পাওয়াটাই আজ সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ চাই পক্ষের জন্য। এই বৃদ্ধির পেছন জিয়া-এরশাদ মিলে ১৫ বছর, প্লাস বিএনপি-জামায়াত মিলে আরো ১০ বছর, মোট ২৫ বছর তারা ক্ষমতায় থাকার সুবাদে তাদের পক্ষে বিরাট একটি মধ্যবিত্ত সুবিধাভোগী শ্রেণি তৈরি হয়েছে। তেমনি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের সর্বত্র তাদের লোক সুপ্রতিষ্ঠিত, যার মধ্যে কেউ কেউ অত্যন্ত সুছদ্মবেশে একেবারে রাষ্ট্রের অন্দরমহলে ঢুকতে সক্ষম হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছোট ছোট কিছু নেতাসর্বস্ব দল আছে। তাদের সাংগঠনিক ক্ষমতা ও জনসমর্থন জিরো। কিন্তু নেতাদের একটা উজ্জ্বল অতীত আছে। সেই অহংকারে তারা ক্ষমতার ভাগাভাগিতে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সন্তুষ্ট না হতে পরে এমন সব কর্মকাণ্ড করেন, তাতে মনে হয় পাকিস্তান চাই পক্ষ জয়ী হলেও তারা খুশি হবেন।

অন্যদিকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধের বড় পক্ষ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের মধ্যে চরম আদর্শগত পদস্খলন ঘটেছে। উপরন্তু আওয়ামী লীগের জেলা-উপজেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে বিএনপি, জামায়াত, ফ্রিডম পার্টির টাকাওয়ালা ব্যক্তিরা স্থান করে নিয়েছে। এ বিষয়ে বহুল প্রচারিত দুটি পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ২০১৮ সালের ৭ এপ্রিল এবং ২০১৯ সালের ২ নভেম্বর সুনির্দিষ্ট নামধামসহ বিস্তারিত প্রতিবেদন ছাপা হয়। হেফাজতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের আপসরফা রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের সর্বত্র এবং আওয়ামী লীগের স্থানীয় পর্যায়ে বিশাল বড় দ্বন্দ্ব ও বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। কিন্তু সবকিছুর ঊর্ধ্বে যে কথা, তা হলো মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের মাধ্যমেই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের কারণেই বাংলাদেশ উন্নতি-সমৃদ্ধির মহাসড়কে উঠেছে, আগামী প্রজন্মের জন্য বিশাল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। বাংলাদেশের বৃহত্তর মানুষ এখনো মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের প্রতি পাহাড়ের মতো অটল আছে। তাই নতুন করে মুক্তিযুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য বর্তমান তরুণ প্রজন্মকে একাত্তরের তরুণ প্রজন্মের মতো সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। ঝড়-তুফানের সময় ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঘর রক্ষা করা অপরিহার্য। রাজনীতির মাঠে যারা আছেন, তারা কেউ শতভাগ নিষ্কলুষ নয়। কিন্তু End Result গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তান চাই পক্ষও দীর্ঘদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল। আর এখন ক্ষমতায় আছে বাংলাদেশ চাই পক্ষ। দুই পক্ষের জাতীয় অর্জন-বিসর্জনের একটা তুলনামূলক চার্ট তরুণরা স্ব-উদ্যোগে তৈরি করে দেখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যায়। ক্ষমতা মানুষকে কলুষিত করে। ইতোমধ্যে কলুষিত প্রজন্ম দিয়ে এত বড় দুর্যোগ উত্তরণ অসম্ভব। ফ্রেশ নিষ্কলুষ তরুণ প্রজন্মকে একটিমাত্র লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হবে, পাকিস্তান চাই পক্ষকে আরেকবার চূড়ান্তভাবে পরাজিত করা, ১৬ ডিসেম্বরের মতো সারেন্ডারে বাধ্য করা। কিন্তু তার জন্য নতুন সংগঠন প্রয়োজন, যার নাম হতে পারে নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেড। এই সংগঠন তৈরির জন্য জাতীয় পর্যায় থেকে উদ্যোগ প্রয়োজন। নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা ব্রিগেডের জন্য একটা ইংরেজি কোটেশন উদ্ধৃত করি:

when you go home

Tell them of us and say

For your tomorrow

We gave our today.

অর্থাৎ যুদ্ধফেরত মুক্তিযোদ্ধাদের মাধ্যমে শহীদ মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধক্ষেত্রে জীবনের অন্তিম মুহূর্তে নতুন প্রজন্মের জন্য বার্তা দিচ্ছে এবং তাতে বলছে, ‘তোমাদের ভবিষ্যতের জন্য আমরা আমাদের বর্তমানকে উৎসর্গ করলাম।’ তাই আজকের তরুণ প্রজন্মের ঘরে বসে থাকা মানে একাত্তরের শহীদদের ত্যাগ ও প্রত্যাশাকে অবমাননা করা। এটা হতে পারে না। আমাদের মতো প্রৌঢ় আর বৃদ্ধরা আজ বহু কারণে আধমরা। সুতরাং তরুণদের জন্য আবেদন রাখছি রবীন্দ্রনাথের ভাষায়:

ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা

ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ

আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।

সত্যি আজ একটা বড় ঘা মারা প্রয়োজন।

 

লেখক: গবেষক এবং রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

ই-মেইল : [email protected]

সারাক্ষণ মতামতের বৈচিত্র্যে বিশ্বাস করে। এই লেখার বিষয়ে কারো যদি কোন ভিন্নমত থাকে তাহলে অনূর্ধ্ব ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠান আমাদের কাছে। সারাক্ষণ আপনার ভিন্নমত সাদরে গ্রহণ করবে। আপনার ভিন্নমত প্রকাশ হবে পাঠকের অভিমত কলামে। সঙ্গে আপনার নাম, সংক্ষিপ্ত পরিচয়, ছবি ও ফোন নম্বর পাঠাবেন, যা আপনার লেখার সঙ্গে প্রকাশ হবে। ভিন্নমত পাঠানোর ই-মেইল : ‍[email protected]
মতামত বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা : ‍[email protected]
বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ
ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ

মামুনুল হক: ধর্মব্যবসায়ীর কুৎসিত চেহারা
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক

মামুনুল হক: ধর্মব্যবসায়ীর কুৎসিত চেহারা

টাইম ম্যানেজমেন্ট, নাকি টাইম প্রায়োরাটাইজেশন?
জিয়া হাসান

টাইম ম্যানেজমেন্ট, নাকি টাইম প্রায়োরাটাইজেশন?