সব
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮
DBBL Ad

নিচু স্বরে কথা বলা

নিষ্প্রদীপ ও লকডাউন

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০

বিশ্বযুদ্ধের সময় বা যেকোনো যুদ্ধের সময় বিমান হামলা থেকে বাঁচতে শহরকে নিষ্প্রদীপ করা হলে কেউ কি বলে, এই অন্ধকারে আমরা থাকব না। আলো জ্বালো। বিদ্যুৎ-বাতিগুলো সব জ্বেলে দাও। কেউ বলে না। বরং কতটা ভালোভাবে নিষ্প্রদীপ রাখা যায়, সেই চেষ্টাই করা হয়। বর্তমানে যে করোনার আক্রমণ চলছে, এটা সব থেকে ভয়াবহ বিশ্বযুদ্ধ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের থেকে কোনো অংশে কম নয়। বরং সর্বগ্রাসিতার দিক থেকে আরো বেশি। তাই এ সময়ে এই করোনার হাত থেকে বাঁচার জন্য, করোনার চেইন ভাঙার জন্য যে লকডাউন দেয়া হয়েছে, একে যতটা সফল করা যায়, যতটা কঠোরতার সঙ্গে মেনে চলা যায়, সেটাই সকলের দেখা উচিত। কিন্তু জাতির দুর্ভাগ্য হলো, এবারের লকডাউনের প্রথম দিনেই নানান স্থানে এর প্রতিবাদে মানুষ জড়ো হচ্ছে। এমনকি কিছু বিরোধী দল এ নিয়ে রাজনৈতিক বক্তব্য দিচ্ছে।

বিষয়টি মানুষের বাঁচা-মরার প্রশ্ন। কিছুটা কষ্ট করে হলেও মানুষ যদি বেঁচে থাকতে পারে, তাহলে সে তার ক্ষতি তার কষ্ট ভবিষ্যতে পুষিয়ে নিতে পারে। আর যদি মারাই যায়, তাহলে তো তার সব শেষ। প্রতিদিন ৫০ জনের ওপর মানুষ মারা যাচ্ছে সরকারি হিসাবে। পরীক্ষা কম, তারপরেও সাত হাজারের বেশি সংক্রমণ হচ্ছে। অর্থাৎ করোনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এ সময়ে এ ধরনের আচরণ অনেক বেশি বালখিল্যতা। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো কেন এটা করছে, তা সত্যিই সকল যুক্তির বাইরে। ব্যবসায়ীরা তাদের লাভের জন্য করছেন। কিন্তু জীবনের সব থেকে বড় লাভ তো বেঁচে থাকা। জীবনে ব্যবসা করতে গিয়ে, জেদ বজায় রাখতে গিয়ে, সাময়িক জিততে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে শেষ অবধি ক্ষতিটি কার হবে! আপনার নিজেরই তো।

তাই অবিবেচকের মতো কাজ নয়। বরং নিজেও বুঝুন, অন্যকে বোঝান যে এখন সময় যুদ্ধের সময়ের থেকে মোটেই ভালো নয়। তাই নিষ্প্রদীপের মতো আমাদেরও বেঁচে থাকার জন্য লকডাউন মানতে হবে।

নিচু স্বরে কথা বলা

নিচু স্বরে কথা বলা

লকডাউনে কিছু জরুরি বিষয়

লকডাউনে কিছু জরুরি বিষয়

ইতিহাসের গুরুত্ব

ইতিহাসের গুরুত্ব

Islami Bank Ad