সব
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ১ বৈশাখ ১৪২৮
DBBL Ad

ইন্দ্রনীলের রহস্যময়ী ‘ঊর্মিমালা’

ফিল্মফেয়ারের কৃষ্ণ রমণী আবারো বাংলাদেশে: জয়া

জয়ার আনন্দে আনন্দিত হয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীসহ সবাই। সিনেমা দুটি শুধু সমালোচক নয়, মন কেড়েছে দুই বাংলার দর্শকদের। সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে দুই বাংলার মানুষের মধ্যে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন জয়া।

আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০২১, ২০:০০

অভিনয়ের জন্য এপার-ওপার দুই বাংলায়ই সমান সমাদৃত জয়া আহসান। দেশের পাশাপাশি ভারতের মাটিতেও পেয়েছেন অনেক পুরস্কার। এর ব্যতিক্রম হয়নি এবারের ফিল্মফেয়ারের আসরেও। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারটি ঝোলায় পুরেছেন জয়া। গত ৩১ মার্চ পর্দা ওঠে ফিল্মফেয়ারের ৬৬তম পুরস্কার বিতরণী আসরের। ওই দিন অতনু ঘোষের ‘রবিবার’ আর কৌশিক গাঙ্গুলির ‘বিজয়া’ সিনেমা দুটির জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কারটি পেয়েছেন জয়া। এর আগে ২০১৮ সালেও ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিলেন জয়া; তবে শুধু জনপ্রিয় ক্যাটাগরিতে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। বাকি ছিল সমালোচকদের পুরস্কারটি। এবার সে অভাবও পূরণ হয়ে গেল।

বলা বাহুল্য, এই অর্জনে আনন্দিত হয়েছেন জয়া। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তির বছরে তার হাত ধরে বাংলাদেশে এল এই পুরস্কার। এ বিষয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ফেসবুকে একটি উচ্ছ্বসিত স্ট্যাটাস দিয়েছেন জয়া। ফেসবুকে তিনি লেখেন, “ফিল্মফেয়ারের কৃষ্ণ রমণী আবারো বাংলাদেশে এল। অতিমারির বিষণ্ণ দিনে এই তো আনন্দ। যেকোনো পুরস্কারই একটা মাইলফলক, যা শিল্পীকে বলে ‘তুমি এটা পার হয়ে এগিয়ে যাও’।

ফিল্মফেয়ারের নিয়ম ভেঙে পুরস্কারটি এবার এসেছে দুটি ছবির জন্য। একটি ‘বিজয়া’, আরেকটি ‘রবিবার’। পুরস্কারটা এল, যখন মার্চ মাসে মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছরের উদযাপন চলছে। মুক্তিযুদ্ধে রক্তের বন্ধনে বাংলাদেশ–ভারত মৈত্রীর যে সূচনা হয়েছিল, এ বছরটি তারও সুবর্ণজয়ন্তী। আর ‘বিজয়া’ ছবির ভেতরে বয়ে চলেছে বাংলাদেশ আর ভারতের মানুষের ভালোবাসারই ঝরনাধারা। আমার করা এ ছবির পদ্মা চরিত্রটি বাংলাদেশের প্রাণের গভীর থেকে উঠে আসা।

ফিল্মফেয়ারের কৃষ্ণ রমণী আবারও বাংলাদেশে এল। অতিমারির বিষণ্ন দিনে এই তো আনন্দ। যেকোনো পুরস্কারই এমন একটা মাইলফলক যা...

Posted by Jaya Ahsan on Friday, April 2, 2021

আর ‘রবিবার’ একটি ওপেন–এন্ডেড ছবি। আমার করা সায়নী চরিত্রটি না আলো না অন্ধকার। ঘটনা পর্দায় ঘটে না, ঘটে ওর মনে। তাই পুরো অভিনয়টাই ছিল সেরিব্রাল। দারুণ একটা নতুন অভিজ্ঞতা হলো আমার। সায়নী কত কী যে শেখাল।

ভালোবাসা কৌশিকদা আর অতনুদার জন্য। আর আনন্দ তাদের জন্য, যারা আমাকে এত দিন ধরে নিঃশর্ত ভালোবাসা আর অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়ে এসেছেন। সবাইকে নিয়ে আমার এই পথ চলাতেই আনন্দ।”

জয়ার আনন্দে আনন্দিত হয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীসহ সবাই। সিনেমা দুটি শুধু সমালোচক নয়, মন কেড়েছে দুই বাংলার দর্শকদের। সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে দুই বাংলার মানুষের মধ্যে উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন জয়া।

ইন্দ্রনীলের রহস্যময়ী ‘ঊর্মিমালা’

ইন্দ্রনীলের রহস্যময়ী ‘ঊর্মিমালা’

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও: দ্য প্রিন্স অব হলিউড

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও: দ্য প্রিন্স অব হলিউড

৭৪তম বাফটার উপস্থাপনায় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

৭৪তম বাফটার উপস্থাপনায় প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

Islami Bank Ad