সব
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ২৮ চৈত্র ১৪২৭

নন্দীগ্রামে মমতার ভোটযুদ্ধ কি তার জন্য ওয়াটারলু হতে চলেছে?

আপডেট : ০১ এপ্রিল ২০২১, ১৩:২০
মমতার শাসনামলে কোনো শিল্প রাজ্যে আসেনি, যার ফলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ বাংলায় নেই বললে চলে। তারচেয়ে মারাত্মক হচ্ছে, মমতা রাজ্যে যেভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও পদ্ধতিকে ধ্বংস করে স্বৈরাতান্ত্রিক ও একদলীয় শাসন গড়ে তোলার যে অভূতপূর্ব প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, তা রাজ্যের জন্য এক অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামে শিল্প হতে না দিয়ে সেখানে শ্মশানের শান্তি বিরাজ করছে। রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে। কৃষিতে রাজ্য খুবই পিছিয়ে পড়েছে

গত ২৭ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ২৯৪ আসনের মধ্যে ৩০টিতে যে নির্বাচন হয়ে গেল, তা প্রায় নির্বিঘ্নে হয়েছে। কিছু বিক্ষিপ্ত হিংসাত্মক ঘটনা ছাড়া ভোটাররা কোনো ভয়ভীতি ছাড়াই তাদের মনের মতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরেছে। কিন্তু এখনো সাত দফায় নির্বাচন হওয়া বাকি। ওই সাত দফায় কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্তিতে ভোট হওয়ার বর্তমান অবস্থাকে ধরে রাখতে পারবে? যদিও তৃণমূলের দলদাস রাজ্য পুলিশকে নির্বাচন-প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে।


কারণ যে হারে বিভিন্ন জেলায় অস্ত্রশস্ত্র ও বোমা উদ্ধার হচ্ছে, তা ভবিষ্যতের নির্বাচনগুলো কতটা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে গভীর সংশয় আছে। সম্প্রতি বাঁকুড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসে বোমা বিস্ফোরণ হয়। সেখানে প্রচুর পরিমাণে বোমা মজুত রাখা ছিল। বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মী আহত হয়। তৃণমূল নেতা ও সমর্থকরা নির্বাচনে জয়ী হতে এতটাই বেপরোয়া হয়ে গেছে যে, উত্তর দমদমের একজন ৮২ বছরের বৃদ্ধকে এমন নৃশংসভাবে পিস্তলের বাঁট দিয়ে মাথায় ও মুখে মারে যে তিনি গত রোববার ওই আঘাতের জেরে মারা গেছেন। তার দোষ ছিল, কেন তিনি তার পুত্রকে বিজেপি দল করা থেকে বিরত রাখতে পারেননি। এই হত্যাকাণ্ডে পুলিশ একটি খুনের মামলা করেছে। নন্দীগ্রামের এক মহিলাকে গণধর্ষণের ঘটনা কমিশনের টনক নড়িয়ে দিয়েছে।


প্রথম দফায় নির্বাচনের চমক হলো, চারটি জেলার ৩০টি আসনের ৮৬ শতাংশ ভোটাররা তাদের ভোট দেয়। কয়েকটি জেলার কয়েক আসনে ৮৮ শতাংশ পর্যন্ত ভোট পড়ে। ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই বিপুলসংখ্যক ভোটার ভোটকেন্দ্রের বাইরে উপস্থিত হয় ভোট দেয়ার জন্য। তৃণমূলের আশা, এই বিশাল উপস্থিতি তাদের পক্ষে সমর্থনের ইঙ্গিত। আবার বিজেপি মনে করে, তাদের পক্ষে যে জনজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, সেটা ভোটের ফলাফলে প্রকাশ পাবে। তাই বিজেপি এতটাই আশাবাদী, ৩০টি আসনের মধ্যে তাদের প্রার্থীরা দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়লাভ করবেন। কিন্তু তৃণমূল ফলাফল সম্পর্কে মুখে কুলুপ এঁটেছে।


এখন সারা রাজ্য এবং গোটা দেশের নজর নন্দীগ্রামের হাই ভোল্টেজ মহারণের দিকে, যেখানে ১ এপ্রিল মমতা এবং তার এককালের ‘বিশ্বস্ত সৈনিক’ শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়েছেন। নন্দীগ্রামের ভোটযুদ্ধ মমতাকে কতটা ব্যাকফুটে ফেলেছে তার প্রথম আন্দাজ পাওয়া যায় গত শুক্রবার, যখন একটি অডিও ভাইরাল হয়। মমতা ওই ভিডিওতে স্থানীয় বিজেপির সহসভাপতি প্রলয় পালকে ফোন করে বলছেন, তিনি যেন তাকে ভোটের লড়াইয়ে সাহায্য করেন। তার প্রতিদানস্বরূপ তিনি অনেক কিছু ‘দেখে দেবার প্রতিশ্রুতি দেন’। প্রলয় গত ডিসেম্বরে শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তাকে হেনস্তা করার প্রতিবাদে। ওই অডিওতে মমতাকে আকুতি-মিনতি করতে দেখা যায়, যাতে প্রলয় বিজেপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাকে জয়ী হতে সাহায্য করেন। প্রলয় তার উত্তরে বলেন, ‘আমাকে আমার নেতা শুভেন্দুকে বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর বলে মাঠে-ময়দানে গালি দিচ্ছেন এবং আমাকে বলছেন বিজেপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে। আমি তো কখনোই তা করতে পারব না’ বলে প্রলয় লাইন কেটে দেন। তৃণমূলের অনেক নেতা এই অডিও’র সত্যাসত্যি নিয়ে প্রশ্ন তুললেও মমতা পরে বলেন, ‘প্রলয় আমার দলের সহকর্মী ছিল। আমি তাকে ফোন করতেই পারি।’ কিন্তু তিনি ফোনে যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তা নিয়ে কোনো বক্তব্য দেননি।


ওই অডিও ভাইরালের পাঁচ দিন পরে তিনি নন্দীগ্রামের জনসভায় এমন বক্তব্য রাখেন, যা তার বিশ্বাসযোগ্যতাকে তলানিতে এনে ঠেকিয়েছে। তিনি ওই জনসভায় ২০০৭-এর ১৪ মার্চ ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ আন্দোলনে যে ১৪ কৃষক ও সাধারণ মানুষ পুলিশ ও সিপিএম ক্যাডারদের গুলিতে মারা যায়, যাদের তিনি ‘শহীদ’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন, সেই ঘটনার জন্য তিনি শুভেন্দু ও তার বাবা শিশির অধিকারীকে অভিযুক্ত করে বলেন, সেদিন পুলিশ নন্দীগ্রামে ঢুকেছিল ‘বাপ-বেটার’ মদদে। তারা নন্দীগ্রামে পুলিশ ঢোকায় এবং চটি-চপ্পল পরা যুবকদের পুলিশের উর্দি পরিয়ে যৌথ অপারেশন করায়, যাতে ১৪ জন নন্দীগ্রামবাসী মারা যায়।


তার এই বক্তব্যে রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করে ইতিহাসবিদরা বলছেন, মমতা এসব আবোল-তাবোল বলে নিজেই নিজেকে মিথ্যাবাদী বলে প্রমাণ করে দিলেন। তিনি তার লেখা এই ‘নন্দীমা’-এ লিখেছেন, সেদিন পুলিশ ও সিপিএম ক্যাডার পুলিশ সেজে নন্দীগ্রামে গণহত্যা ঘটায়। তদানীন্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী সেই ঘটনাকে ‘হাড় হিম করা সন্ত্রাস’ বলে আখ্যায়িত করেন। গত ১৫ বছর মমতা নন্দীগ্রাম আন্দোলন সম্পর্কে যখনই মুখ খুলেছেন, তখন তিনি পুলিশ ও সিপিএম ক্যাডারদের যৌথভাবে সংঘটিত নৃশংতার কথা বারবার আওড়েছেন। হাইকোর্টে তার দল নন্দীগ্রাম নিয়ে যে মামলা করে, তার হলফনামায় এর বিবরণও উল্লেখ করাল। তার দলের মন্ত্রী ও খ্যাতিমান নাট্যকার ব্রাত্য বসু ওই সব তথ্যকে ভিত্তি করে নাটক মঞ্চস্থ করেন। কিন্তু নন্দীগ্রাম আসনে তার একদা ছায়াসঙ্গী তার বিরুদ্ধে বিরোধী প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তিনি এতটাই অস্বস্তিতে ও বেকায়দায় পড়েছেন যে, তিনি ৩৬০ ডিগ্রি পাল্টি খেয়ে নন্দীগ্রামের ঐতিহাসিক বাস্তবতাকে ঘুরিয়ে দিয়ে শুভেন্দুকে জনমানসে হেয়প্রতিপন্ন করার মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। যাতে তিনি তার বিকৃত তথ্যের ওপর ভর করে নির্বাচনী ফায়দা লুটতে পারেন। বিশিষ্ট রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী জিজ্ঞাসা করেন, ‘কে তাকে ইতিহাস বিকৃত করা এবং অসত্য ভাষণ দেয়ার অধিকার দিল। রাজ্যের রাজনীতিতে অনেক পাল্টি খাওয়া দেখেছি, কিন্তু মমতার মতো পাল্টি খাওয়ার এমন অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত দেখিনি। সেদিন নন্দীগ্রামে কী হয়েছিল তা নথিপত্র আকারে সুপ্রমাণিত। একটা নির্বাচনে জয়ের জন্য তিনি ইতিহাস বদলে দিয়ে এত নিচে নামবেন, এটা চিন্তার অতীত। কিন্তু তার এই অসত্য ভাষণ ও অসৎ প্রচেষ্টা তার জন্য বুমেরাং হয়ে তাকে ঘায়েল করতে পারে, সে বিষয়ে অনেকেই কিন্তু এখনো অনিশ্চিত।

কিন্তু মমতার জন্য বাড়তি উদ্বেগের কারণ হলো, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দেয়া রোববারের এক বিবৃতি ২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তিনি এক দশক পরে মুখ খুললেন, যাতে তিনি মমতা সরকারকে আসামির কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। তিনি তার বিবৃতিতে মমতা সরকারকে চোখা চোখা বাণে বিদ্ধ করে বলেছেন, ‘তৃণমূলের গত এক দশকের দুঃশাসন বাংলা ধ্বংসের পথে নিয়ে গেছে। শিক্ষা, শিল্প, কৃষি, কর্মসংস্থানের মতো সব ক্ষেত্রে মমতা সরকার রাজ্যকে সর্বনাশের পথে ঠেলে দিচ্ছে। মমতার শাসনামলে কোনো শিল্প রাজ্যে আসেনি, যার ফলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ বাংলায় নেই বললে চলে। তারচেয়ে মারাত্মক হচ্ছে, মমতা রাজ্যে যেভাবে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও পদ্ধতিকে ধ্বংস করে স্বৈরাতান্ত্রিক ও একদলীয় শাসন গড়ে তোলার যে অভূতপূর্ব প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, তা রাজ্যের জন্য এক অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামে শিল্প হতে না দিয়ে সেখানে শ্মশানের শান্তি বিরাজ করছে। রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়েছে। কৃষিতে রাজ্য খুবই পিছিয়ে পড়েছে।


নন্দীগ্রামে শুভেন্দু যেভাবে তার ভোটযুদ্ধের খুঁটি সাজিয়েছেন, তা মমতার রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। নন্দীগ্রামের ভোটযুদ্ধ যাতে তার জন্য ‘ওয়াটারলুতে পরিণত না’ হয়, তার জন্য স্থানীয় মন্দিরের দোরে দোরে গিয়ে তিনি পূজা দিয়েছেন। এক বৃহদাংশ হিন্দু ভোটের আশায় এমনকি তিনি নিজেকে ভারতমার সন্তান বলতেও পিছপা হননি। শেষ পর্যায়ের কয়েকটি সভা শেষে ভারতের জাতীয় সংগীত পর্যন্ত গেয়েছেন, যা তিনি আগে কখনো করেননি।
তিনি নন্দীগ্রামের ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটের থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পাবেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত। এটাই তার ট্রাম্পকার্ড। এখন দেখার নন্দীগ্রামে যে ভালোসংখ্যক বাম ভোট আছে, সেটা মমতা নিজের দিকে টানতে পারেন কি না। কেননা, ওই ভোট গত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি পায়। যদি তিনি ওই বাম ভোট না পান, তাহলে তার সমূহ বিপদ। শুভেন্দু আশাবাদী, তিনি হিন্দু ভোটের এক বিশাল অংশকে নিজের দিকে টানতে সমর্থ হবেন; যার জন্য তিনি তার প্রচারে মেরুকরণের রাজনীতির স্লোগান দিয়েছেন প্রকাশ্যে। মমতা একই কৌশল অবলম্বন করেন সবার অলক্ষ্যে চুপিসারে। মমতা নন্দীগ্রামে নির্বাচনের দিন সেখানে থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শুভেন্দু ও অন্যান্য বিজেপি কর্মকর্তার ভয় তিনি সেদিন তার মুখ্যমন্ত্রীর পদের অপব্যবহার করে পুলিশ ও প্রশাসনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন। কারণ এই নির্বাচন হচ্ছে তার কাছে ‘ডু অর ডাই’ লড়াই। সেটা তাকে যেমন করে থেকে জিততে হবে।


এই নির্বাচনের লক্ষণীয় দিক হলো, মমতা ও বাংলাদেশের বিরোধী দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল একই ভাষায় ও সুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দুই দিনের বাংলাদেশ সফরকালে হিন্দু ও মতুয়া সম্প্রদায়ের মন্দিরে গিয়ে পূজা দেয়াকে বিজেপির রাজনীতিকরণের খেলা বলে অভিহিত করেন। বাংলাদেশের সফরটি তিনি এমন সময় করছেন, যখন পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন সবেমাত্র শুরু হয়েছে। মন্দিরে মন্দিরে গিয়ে পূজা দেয়া হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু ও মতুয়া সম্প্রদায়ের ভোটারদের প্রভাবিত করার মানসে। সে জন্য মমতা নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছেন যাতে কমিশন অতিসত্বর মোদির পাসপোর্ট ও ভিসা বাতিল করে তাকে উচিতশিক্ষা দেয়। কিন্তু মমতা ও মির্জা ফখরুল জানেন না যে, মোদি যখন নেপাল, মরিশাস ও সেশলসে যান, তখন তিনি কাঠমান্ডুর পশুপতি রাম মন্দিরে ও মরিশাসের পোর্ট লুইয়ের রাম মন্দিরে গিয়ে পূজা দেন। আর সেখানে বসে ভজন-কীর্তন শোনেন।

শুধু নন্দীগ্রামেই নয়, যে সিঙ্গুরে জমি আন্দোলন করে মমতা ক্ষমতার শিখরে পৌঁছেছিলেন, আজ সেখানেও তৃণমূলের পায়ের মাটি আলগা হতে শুরু করেছে। আজ বুধবার সিঙ্গুরে তৃণমূলের এক নির্বাচনী সভায় বিজেপি প্রার্থী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য, যিনি একসময় মমতার মন্ত্রী ছিলেন, সেই তাকে তিনি আবদারের সুরে আবেদন করে বলেন যে তিনি যেন সিঙ্গুরের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। এবং তৃণমূল প্রার্থীকে আশীর্বাদ করে তাকে জয়ী হতে সাহায্য করেন। রবীন্দ্রনাথ বাবু মমতার প্রস্তাব নাকচ করে বলেন, তৃণমূল প্রার্থী দুবার বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে মানুষের সেবা তো করেনইনি, ববং নাম-বেনামে প্রচুর সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। আমি জেনেশুনে অসৎ তৃণমূল প্রার্থীকে জেতাব কেন? ওকে পরাজিত করাই হচ্ছে আমার সংকল্প। যে মমতা এককালে তৃণমূলের সভায় বক্তৃতা করলে তার বক্তব্য শুনতে মানুষ উপচে পড়ে ভিড় করত, এখন সেখানে তুলনামূলকভাবে শ্রোতাদের উপস্থিতি কম।

 

লেখক: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনের সাংবাদিক, সাবেক সম্পাদক, স্টেটসম্যান ও ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকারের পদকপ্রাপ্ত

সারাক্ষণ মতামতের বৈচিত্র্যে বিশ্বাস করে। এই লেখার বিষয়ে কারো যদি কোন ভিন্নমত থাকে তাহলে অনূর্ধ্ব ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠান আমাদের কাছে। সারাক্ষণ আপনার ভিন্নমত সাদরে গ্রহণ করবে। আপনার ভিন্নমত প্রকাশ হবে পাঠকের অভিমত কলামে। সঙ্গে আপনার নাম, সংক্ষিপ্ত পরিচয়, ছবি ও ফোন নম্বর পাঠাবেন, যা আপনার লেখার সঙ্গে প্রকাশ হবে। ভিন্নমত পাঠানোর ই-মেইল : ‍[email protected]
মতামত বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা : ‍[email protected]

জনপ্রিয়

ভ্যাকসিন পাসপোর্ট

ভ্যাকসিন পাসপোর্ট

১২, ১৩ এপ্রিলও লকডাউন

১২, ১৩ এপ্রিলও লকডাউন

চলে গেলেন মিতা হক

চলে গেলেন মিতা হক

বাতিলই হলো পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফর

বাতিলই হলো পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফর

মিয়ানমারে সেনাবিরোধী বিক্ষোভে এক শহরেই নিহত ৮০

মিয়ানমারে সেনাবিরোধী বিক্ষোভে এক শহরেই নিহত ৮০

অপু উকিল করোনায় আক্রান্ত

অপু উকিল করোনায় আক্রান্ত

উত্তরায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোচালকের মৃত্যু

উত্তরায় ট্রেনের ধাক্কায় অটোচালকের মৃত্যু

হবিগঞ্জে গণপিটুনিতে দুই ডাকাত নিহত

হবিগঞ্জে গণপিটুনিতে দুই ডাকাত নিহত

মিতা হক রবীন্দ্রসংগীত প্রেমীদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন

মিতা হক রবীন্দ্রসংগীত প্রেমীদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন

জেএমবির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার

জেএমবির শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ
ডা. শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন

বঙ্গবন্ধুর দেখানো পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ

মামুনুল হক: ধর্মব্যবসায়ীর কুৎসিত চেহারা
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক

মামুনুল হক: ধর্মব্যবসায়ীর কুৎসিত চেহারা

টাইম ম্যানেজমেন্ট, নাকি টাইম প্রায়োরাটাইজেশন?
জিয়া হাসান

টাইম ম্যানেজমেন্ট, নাকি টাইম প্রায়োরাটাইজেশন?

লেবাসধারীদের জন্য কি সবকিছুই জায়েজ?
প্রভাষ আমিন

লেবাসধারীদের জন্য কি সবকিছুই জায়েজ?