সব
সোমবার, ০১ মার্চ ২০২১, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭

সশস্ত্র জঙ্গি ও জঙ্গিবাদ এবং বাংলাদেশের বাস্তবতা

আপডেট : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০১
অন্যান্য দেশ কীভাবে অতি দ্রুত এ রকম মামলা নিষ্পত্তি করছে, সেটা পর্যালোচনা করা দরকার। ২০১৪ সালে কুনমিং রেলস্টেশনে উইঘুর ইসলামিস্ট জঙ্গিরা ছুরি আক্রমণ চালিয়ে ৩৫ জন সাধারণ মানুষকে হত্যা করে এবং তাতে ১৪৩ জন আহত হয়। চীনের আদালত ছয় মাসের ভেতর আক্রমণকারী চারজনকে ফাঁসির দণ্ড প্রদান করে এবং এক বছরের মাথায় ফাঁসি কার্যকর হয়

সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর সশস্ত্র জঙ্গি আক্রমণসংক্রান্ত দুটি মামলার রায় দিয়েছেন বিচারিক আদালত, অর্থাৎ নিম্ন আদালত। জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সল আরেফিন দীপনকে ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর দিনের বেলায় তার বাংলামোটর অফিসের মধ্যে কুপিয়ে হত্যাসংক্রান্ত মামলার রায়টি সম্প্রতি দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, মুক্তমনা লেখক আমেরিকাপ্রবাসী অভিজিৎ হত্যার রায়টিও নিম্ন আদালত কয়েক দিন আগে দিয়েছেন। একই সময়ে ২০০০ সালে গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় বিশাল ক্ষমতাসম্পন্ন ৭৬ কেজি ওজনের বোমা মাটিতে পুঁতে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিলের নিষ্পত্তি করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। তিনটি মামলায়ই নিজ নিজ আদালত অভিযুক্ত অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন। তাতে বাদী অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষ এবং দীপন ও অভিজিতের পরিবারের পক্ষ থেকে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়েছে, যদিও আমেরিকাপ্রবাসী অভিজিতের স্ত্রী বন্যা সামগ্রিক বিচারব্যবস্থায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি। একজন অপরাধীকে শাস্তি প্রদানের মৌলিক লক্ষ্য হলো দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করা, যাতে সমাজ ও রাষ্ট্রের মধ্যে একই ধরনের অপরাধ প্রবণতায় লিপ্ত থাকা ব্যক্তিরা ভয় পায় এই মর্মে যে, একই অপরাধ করলে তারাও রক্ষা পাবে না। উল্লিখিত তিনটি মামলার রায়ে শাস্তি প্রদানের মৌলিক লক্ষ্য কতখানি অর্জিত হয়েছে বা হবে, এই প্রশ্নটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিচার-বিশ্লেষণের দাবি রাখে। দীপন ও অভিজিৎ হত্যার রায় হলো ঘটনার প্রায় ছয় বছর পর। অর্থাৎ প্রথম ধাপের আদালতেই সময় লাগল ছয় বছর। যদিও বাংলাদেশের সাধারণ স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে রায় দুটি দ্রুতই এসেছে, যেখানে সশস্ত্র জঙ্গিসংক্রান্ত বহু মামলা ১৪-১৫ বছর নিম্ন আদালতে ঝুলে আছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১০-১২ বছর ধরে জঙ্গিরা আটক থাকলেও তাদের মামলার চার্জশিট পর্যন্ত এখনো দাখিল হয়নি। জেএমবির প্রধান মাওলানা সাইদুর রহমান ও আনসার আল ইসলাম, অর্থাৎ সাবেক আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান জসিম উদ্দিন রাহমানি ১০-১২ বছর ধরে জেলে আটক আছেন, কিন্তু তাদের মামলা এখনো আদালতে শুরুই হয়নি। এ রকম আরো অনেক উদাহরণ আছে। কেন এসব মামলার বিচার শুরু হচ্ছে না, তার কোনো কারণ জনগণ জানে না। এটাই বিচারব্যবস্থার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এবং বিচারের লক্ষ্য অর্জনের পথে চরম অন্তরায়।

আরেকটু ব্যাখ্যা করি। প্রথমত, চরম অন্ধত্বের মধ্যে থাকার কারণে জঙ্গিদের মনে সামান্যতম অনুশোচনা নেই, তাদের কখনো অনুতপ্ত হতে দেখা যায়নি। বিচার সম্পন্ন হতে নিম্ন আদালতে ছয় বছর লেগেছে। তারপর হাইকোর্ট, আপিল বিভাগ এবং পরবর্তী সময়ে আরো দুই ধাপ পেরিয়ে রায় কার্যকরের জায়গায় আসতে আরো কত বছর লাগবে, তা কেউ জানে না। তবে সাধারণ স্ট্যান্ডার্ডে কমপক্ষে আরো ২০-২৫ বছর অথবা তার চেয়েও বেশি।

কোটালিপাড়ায় বোমা পুঁতে শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় হাইকোর্ট থেকে রায় বের হতে লেগেছে ২০ বছর, এখনো আপিল বিভাগ এবং আরো ধাপ রয়েছে। তাহলে নিম্ন আদালতে শাস্তিপ্রাপ্ত অন্ধবিশ্বাসী জঙ্গিরা এবং বাইরে থাকা তাদের হাজার হাজার সহযোগী ও একই মতাদর্শে বিশ্বাসীরা ধরে নিতে পারে শেখ হাসিনা আর কত দিন ক্ষমতায় থাকবেন, বরং আগামী ২০ বছরের দীর্ঘ সময়ের মধ্যে তাদের রাজনৈতিক পক্ষ রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে বিধায় এসব নিম্ন আদালতের রায় নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। বরং বাইরে থাকা জঙ্গিরা শক্তি বৃদ্ধিকল্পে আরো নতুন উদ্যোগে বাংলাদেশের মানুষের ভেতরে জঙ্গিবাদ বিস্তার ও জঙ্গি তৎপরতায় লিপ্ত হওয়ার চেষ্টা করবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক কঠিন বাস্তবতায় জঙ্গিরা এ রকম ভাবলে তাকে অমূলক বলা যায় না। ঘটনার পাঁচ-সাত বছরের মধ্যে বিচার সম্পন্ন ও রায় কার্যকর হলে এ রকম ভাবার সুযোগ তারা পেত না। বিচারের মাধ্যমে যদি উদাহরণ সৃষ্টি না হয়, একই ধরনের অপরাধীদের মনে ভীতির সৃষ্টি না হয়, তাহলে সেই বিচারের বাস্তব কোনো অর্থ থাকে না, বিচারের লক্ষ্য অর্জিত হয় না। অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড হওয়া দেখে বাহ্যত, আপাতদৃষ্টিতে ও গতানুগতিক ধারায় আমরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করতে পারি, কিন্তু ওই ধরনের অপরাধ, অর্থাৎ জঙ্গি নির্মূলে তা আসলে বড় কোনো ভূমিকা রাখবে না। আরেকটি বিষয় আমার কাছে খুবই গতানুগতিক মনে হয়। নিহতজনের পরিবারের পক্ষ থেকে অপরাধীদের যথার্থ শাস্তি হলে সন্তুষ্টি প্রকাশের কোনো তাৎপর্য আমি খুঁজে পাই না। বরং সূক্ষ্ম দৃষ্টিতে দেখলে এর মাধ্যমে কিছুটা হলেও প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে। কারণ, নিহত ব্যক্তিকে তার পরিবার আর কোনো দিন ফিরে পাবে না। সুতরাং আসামিদের মৃত্যুদণ্ড হওয়াতে স্বতন্ত্রভাবে নিহতজনের পরিবারের লাভ বা লোকসান- কোনোটাই নেই। কিন্তু রাষ্ট্রের বড় লাভ আছে। কারণ, সব মানুষের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হলে সম্ভাব্য অপরাধীদের মনে ভীতির সৃষ্টি হলে জননিরাপত্তার হুমকি হ্রাস পাবে। সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্র ও বৃহত্তর জনগণ লাভবান হবে। তাই অপরাধীদের যথার্থ বিচার নিশ্চিত করা ভুক্তভোগী পরিবারের চেয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ব অনেক বেশি, রাষ্ট্রের লাভও বেশি। ধর্মান্ধ উগ্রবাদী সশস্ত্র জঙ্গি তৎপরতা আর অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এক নয়। সুতরাং ২০০৯ সালের সংশোধিত সাধারণ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দ্বারা ধর্মান্ধ সশস্ত্র জঙ্গি তৎপরতার বিচারের সমস্যার কথা প্রায়ই অভিজ্ঞ আইনজীবীদের কাছ থেকে শোনা যায়।

অন্যান্য দেশ কীভাবে অতি দ্রুত এ রকম মামলা নিষ্পত্তি করছে, সেটা পর্যালোচনা করা দরকার। ২০১৪ সালে কুনমিং রেলস্টেশনে উইঘুর ইসলামিস্ট জঙ্গিরা ছুরি আক্রমণ চালিয়ে ৩৫ জন সাধারণ মানুষকে হত্যা করে এবং তাতে ১৪৩ জন আহত হয়। চীনের আদালত ছয় মাসের ভেতর আক্রমণকারী চারজনকে ফাঁসির দণ্ড প্রদান করে এবং এক বছরের মাথায় ফাঁসি কার্যকর হয়। চীনের কথা না হয় বাদ দেন, কর্তৃত্বপরায়ণ রাষ্ট্র। আমেরিকা ও ইউরোপের মতো গণতান্ত্রিক দেশেও দু-চার বছরের মাথায় চূড়ান্ত রায় ও তা কার্যকর হয়েছে। ধর্মান্ধ উগ্রবাদী সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী ও তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ের জায়গা আজ বাংলাদেশের অস্তিত্ব, উন্নতি এবং অগ্রগতির পথে সবচেয়ে বড় হুমকি। বাঙালি সংস্কৃতির সহজাত টানে বাংলাদেশের বৃহত্তর মানুষ সশস্ত্র জঙ্গিবাদে জড়াবে না, সমর্থনও দেবে না। তাই বৃহত্তর মানুষকে দলে ভেড়ানো তাদের লক্ষ্য নয়। তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য দুটি- ভয়ভীতি ও ত্রাস সৃষ্টির দ্বারা সাধারণ মানুষকে নীরব এবং নিস্তব্ধ করে দেয়া। তাহলে বৃহত্তর মানুষের মধ্যে তারা সহজে বসবাস, চলাফেরা ও কার্যক্রম চালাতে পারবে। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশের বৃহত্তর মুসলমানরা অত্যন্ত ধর্মভীরু এবং ধর্মের গুরুতত্ত্ব ও ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ বোঝে না। তারা লেবাসি ধর্মগুরু ও মাওলানা-মৌলবাদীদের কথাকেই ধর্মের সত্য কথা বলে ধরে নেয় এবং নিজেদের সেভাবেই পরিচালিত করে।

ধর্মীয়ভাবে মানুষ দুর্বল হয়ে পড়লে রাজনৈতিক ধর্মবাদীরা যখন নিজেদের রাজনৈতিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য ধর্মের নামে অসত্য কথা বলে, অপকর্ম করে তখন বৃহত্তর মানুষ কোনটা ধর্ম, আর কোনটা নয়, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে সব পক্ষ থেকে নিজেকে দূরে ও নিরাপদে রাখতে পছন্দ করে। তাতে সমাজের মধ্য থেকে ওই ধর্মীয় অপব্যাখ্যাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে ওঠার পথ বন্ধ হয়ে যায়। এই দুটি লক্ষ্য নিয়েই জঙ্গিদের মূল গুরু জামায়াত এবং অন্যান্য উগ্রবাদী রাজনৈতিক দলগুলো কাজ করছে।

১৯৭৫ সালের পর ধর্মীয় রাজনীতির ধারক ও সমর্থকরা দীর্ঘদিন রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকায় তাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে যেসব সহজাত বাধা, সেগুলোর অনেক কিছুই তারা সরিয়ে ফেলতে সক্ষম হয়েছে। নাটক, সিনেমা, যাত্রাপালা, জারি-সারি, কবিগানের আসরসহ পথনাটক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আজ শহর-গ্রাম কোথাও তেমন নেই। তারপর খেলাধুলাসহ বিদ্যাপীঠগুলোতে বুদ্ধিভিত্তিক চর্চা, যা তরুণ প্রজন্মের চিন্তাশক্তিকে প্রসারিত করে, উদার সহিষ্ণু হতে শেখায়, তার সবকিছু চলমান শিক্ষাব্যবস্থার কারণে উধাও হয়ে গেছে।

সুনির্দিষ্টভাবে শ্রেণিকক্ষের পরীক্ষায় কাজে লাগে না, এমন সবকিছু থেকে তরুণেরা মুখ ফিরিয়ে রাখছে। এর থেকে বের হওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো উদ্যোগ নেই। কিন্তু বিপরীতে ধর্মের মোড়কে অধর্মের কথায় ভরপুর হাজার হাজার বইপত্র, লিফলেট, ক্যাসেট, ভিডিও দেশব্যাপী বাজার সয়লাব। এগুলো ধর্মের কথা বলছে এই অজুহাতে এর বিরুদ্ধে কেউ কথা বলে না। অথচ ভেতরে ঢুকে কেউ দেখছে না আসলে ধর্মের নামে তারা কী বলছে। তারা ওয়াজ-নসিয়তের নামে ও আড়ালে উদার গণতান্ত্রিক বিজ্ঞানমনস্ক চিন্তা-চেতনার বিরুদ্ধে যেভাবে বিষোদগার করছে, তার কোনো প্রতিকার নেই। এর বিরূপ প্রভাব সমাজের ওপর কতখানি পড়েছে, সেটি ২০১২ সালে কক্সবাজারের রামু ও ২০১৬ সালে নাসিরনগরের ঘটনার দিকে তাকালে বোঝা যায়। বৃহত্তর সমাজ নীরব হয়ে থাকলে, আর ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে যদি শতকরা ১০ ভাগও ওই অন্ধ মতাদর্শের দিকে সক্রিয়ভাবে ঝুঁকে পড়ে তাহলে সেটা বাংলাদেশের জন্য কত বড় হুমকি সৃষ্টি করতে পারে, তা কি আমরা ভাবছি? ধর্মীয় রাজনীতি থেকে মুক্ত হওয়ার কোনো পথ দেখা যাচ্ছে না। অন্যদিকে সশস্ত্র জঙ্গি তৎপরতা মোকাবিলা আইনশৃঙ্খলা ফ্রন্টে যতটুকু কাজ হচ্ছে, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ফ্রন্টে জঙ্গিবাদ ঠেকাতে তার কিছুই হচ্ছে না। সুতরাং দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর নিম্ন আদালত থেকে দুয়েকটি জঙ্গি আক্রমণ মামলার রায় হওয়ার মধ্য দিয়ে আত্মতুষ্টি প্রকাশের সুযোগ নেই। তাতে হিতে বিপরীত হবে। জঙ্গিবাদের বিস্তার ঠেকাতে ধর্মীয় রাজনীতি থেকে মুক্ত হওয়ার পথ খুঁজতে হবে। রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোকে তরুণ প্রজন্মের কাছে যেতে হবে, ব্যাখ্যা করতে হবে কোন পথ এবং কী করলে সামগ্রিকভাবে তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।

লেখক: গবেষক এবং রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

ইমেইল: [email protected]

সারাক্ষণ মতামতের বৈচিত্র্যে বিশ্বাস করে। এই লেখার বিষয়ে কারো যদি কোন ভিন্নমত থাকে তাহলে অনূর্ধ্ব ৪০০ শব্দের মধ্যে লিখে পাঠান আমাদের কাছে। সারাক্ষণ আপনার ভিন্নমত সাদরে গ্রহণ করবে। আপনার ভিন্নমত প্রকাশ হবে পাঠকের অভিমত কলামে। সঙ্গে আপনার নাম, সংক্ষিপ্ত পরিচয়, ছবি ও ফোন নম্বর পাঠাবেন, যা আপনার লেখার সঙ্গে প্রকাশ হবে। ভিন্নমত পাঠানোর ই-মেইল : ‍[email protected]
মতামত বিভাগে লেখা পাঠানোর ঠিকানা : ‍[email protected]
বাংলাদেশ ও বিশ্বে শেখ হাসিনা
মো. শফিকুল ইসলাম

বাংলাদেশ ও বিশ্বে শেখ হাসিনা

সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে মাতৃভাষা
পলি রানী মহন্ত

সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে মাতৃভাষা

বিএনপি অবশেষে ড্রামতত্ত্ব সামনে আনতে চাইছে
মুহম্মদ শফিকুর রহমান

বিএনপি অবশেষে ড্রামতত্ত্ব সামনে আনতে চাইছে